অপ্রয়োজনীয় খাতে সরকারি ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার। তবে প্রয়োজনীয় খাতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ অব্যাহত থাকবে। মঙ্গলবার সকালে জাতীয় রাজস্ব সম্মেলনে যোগ দিয়ে এই কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।
রাজস্ব সম্মেলন ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সরকারের নতুন ব্যয়ের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় কমানো এখন সরকারের অন্যতম মূল লক্ষ্য। ফলে অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা ও প্রকল্পে লাগাম টানা হবে।
তবে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট ও জরুরি খাতে অর্থ ব্যয় নিশ্চিত করা হবে। এই ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যয়ে সরকার কোনো কার্পণ্য করবে না।
দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্ব আরোপ
দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে প্রত্যেকের দায়িত্বশীল ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এছাড়া দেশের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে কর্মক্ষেত্রে সততার বিকল্প নেই।
পাশাপাশি রাজস্ব কর্মকর্তাদের দণ্ডের বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে। দায়িত্বে অবহেলা বা অনিয়ম হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সম্মেলনের বিবরণ
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করে। রাজস্ব বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর সেখানে উপস্থিত ছিলেন।























