গাজীপুরের কাশিমপুর জরিপ অফিসে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন একজন সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার। স্থানীয় বাসিন্দারা এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সেটেলমেন্ট অফিস অস্থায়ী ক্যাম্প বসিয়েছে। এখানে ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা সংশোধনের কাজ চলছে।
তবে কাশিমপুরের পলাশ হাউজিং এলাকার ক্যাম্পটি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এখানকার সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার আবু বক্করের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে কর্মচারীর মাধ্যমে ঘুষ দাবি করা।
ভুক্তভোগীর অভিজ্ঞতা
স্থানীয় বাসিন্দা গনি মিয়া এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি জানান, জমির কাগজপত্র নিয়ে গেলে তাকে বলা হয় রেকর্ড করা সম্ভব। তবে শর্ত হিসেবে কিছু টাকা দাবি করা হয়।
গনি মিয়া প্রশ্ন করেন, টাকা কাকে দিতে হবে। জবাবে তাকে বলা হয়, সরাসরি বক্কর স্যারকে দিতে হবে।
অন্যান্য অভিযোগও রয়েছে
শুধু গনি মিয়া নন, আরও কয়েকজন একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন। কাগজপত্রে অসংগতি দেখিয়ে তাদের কাছ থেকেও ঘুষ চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে আবু বক্কর নিজে সরাসরি টাকা চান না বলে জানা গেছে।
এর পরিবর্তে শহিদুল নামের একজন ব্যক্তির মাধ্যমে এই লেনদেন সম্পন্ন হয়। ফলে সরাসরি সম্পৃক্ততা এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল হিসেবেই এটি দেখা হচ্ছে।
গণমাধ্যমের সামনেই ঘুষ লেনদেন
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী তথ্য সংগ্রহে যান। এ সময় তারা প্রত্যক্ষ করেন এক ঘটনা। ভুক্তভোগী আনোয়ারের কাছ থেকে শহীদুল নামের ওই কর্মচারী ঘুষ গ্রহণ করেন।
অভিযুক্তের প্রতিক্রিয়া
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আবু বক্কর দাবি করেন, এখানে ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে। তিনি সরাসরি কোনো অভিযোগ স্বীকার করেননি।
সেটেলমেন্ট অফিসারের বক্তব্য
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সেটেলমেন্ট অফিসারের কাছেও মন্তব্য চাওয়া হয়। তিনি বলেন, অনিয়ম বা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফলে বিষয়টি এখন তদন্তাধীন থাকতে পারে বলে ধারণা করা যায়।

























