অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয় এসেছে ডারউইনে। টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে নয় নম্বরে থাকা বাংলাদেশ হারিয়ে দিয়েছে শীর্ষে থাকা অস্ট্রেলিয়াকে। এই জয় বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক হয়ে থাকবে।
১৩ আগস্ট ম্যাচের প্রথম দিনেই বাংলাদেশের পেসাররা দুর্দান্ত বোলিং করেন। ফলে দুইশ রানের আগেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজলউডের মতো শক্তিশালী বোলিং আক্রমণ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের ব্যাটাররা পাল্টা জবাব দেন।
তানজিদ হাসান তামিম দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেন। এছাড়া নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজও হাফ সেঞ্চুরি হাঁকান। তাদের ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশ ২২৮ রানের বড় লিড পায়। বিদেশের মাটিতে প্রথম ইনিংসে এত বড় লিড আগে কখনও পায়নি দলটি।
দ্বিতীয় ইনিংসে মিরাজের ঘূর্ণি জাদু
চাপে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। তবে স্টিভ স্মিথ প্রথম ইনিংসে এবং ক্যামেরন গ্রিন দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। এরপরও মিরাজের ঘূর্ণি বোলিংয়ের কারণে অস্ট্রেলিয়ার লিড খুব বেশি বড় হতে পারেনি। ফলে লক্ষ্য নাগালের মধ্যেই থাকে বাংলাদেশের জন্য।
সহজ জয়ে ইতিহাস
দ্বিতীয় ইনিংসে তানজিদ রানের খাতা খুলতে না পারলেও সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক মিলে বাকি কাজ সারেন। মাত্র ৫৭ রানের লক্ষ্য সহজেই পূরণ করে বাংলাদেশ। উল্লেখ্য, প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ ৫৪ রানে অলআউট হয়েছিল, তবে সেই স্মৃতি অস্ট্রেলিয়ার কোনো কাজে আসেনি।
২৩ বছর আগে ডারউইন ও কেয়ার্নসে হতাশাজনক সফরের পর এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা গেল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ।


























