রশিদ খানের নেতৃত্বে আফগানিস্তান আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সেরা সাফল্য পেয়েছিল। ২০২৪ বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেমিফাইনালে খেলেছিল দল। কিন্তু দুই বছর পরের আসরে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর নেতৃত্ব হারান। যেভাবে অধিনায়কত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে আফসোস রয়েছে।
এই বছরের শুরুতে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড কোনো কিছু না জানিয়ে টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব থেকে রশিদকে ছাঁটাই করেছিল। ২০২৬ বিশ্বকাপে দল গ্রুপ পর্বেই বিদায় নিলেও এমন পরিণতি কল্পনা করেননি এই লেগস্পিনার। তার পরিবর্তে দায়িত্ব দেওয়া হয় ওপেনিং ব্যাটার ইব্রাহিম জাদরানকে।
রেড বুলের আয়োজনে ক্রিকইনফো-র এক সাক্ষাৎকারে এনিয়ে নীরবতা ভাঙলেন রশিদ, ‘ওই সময় ঠিক কী হয়েছিল, আমি জানতামও না। বোর্ড যখন এটা ঘোষণা করল, আমি জানার জন্য (অধিনায়কত্ব পরিবর্তনের কারণ) এসেছিলাম।’
রশিদের নেতৃত্বে ৪৮ টি-টোয়েন্টি খেলেছে আফগানিস্তান। এর মধ্যে জয় ২৬টি, হার ২২। জয়-হারের অনুপাতে আফগান অধিনায়ক হিসেবে তার উপরে আছেন কেবল আসগর আফগান, যার সময়ে আফগানিস্তান প্রায় সময় নিচু র্যাঙ্কিংয়ের দলের বিপক্ষে খেলতো।
রশিদ বললেন, ‘আমার নেতৃত্বে আমরা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলেছিলাম, ওয়েস্ট ইন্ডিজকেও হারিয়েছিলাম। কিন্তু মাঝেমধ্যে কিছু বিষয় আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকে না।’
অধিনায়কত্ব হারানোর ধাক্কা সামলে নিয়েছেন তিনি, ‘কিন্তু আমি এখন সামনের দিকে তাকিয়ে, অধিনায়ক থাকি বা না থাকি, আমি আফগানিস্তানকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারছি, এতেই গর্বিত। আমার যে দক্ষতা ও সামর্থ্য আছে, সেটাকে ব্যবহার করার চেষ্টা করছি। আমি যেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, সেটা হলো আফগানিস্তানের জন্য ভালো খেলা এবং তাদেরকে জেতানো।’






















