খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা বিচারে ইউরোপিয়ান স্পোর্টস মিডিয়ার (ইএসএম) ‘টিম অব দ্য মান্থ’-এর হিসাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গত মৌসুমে এই সেরা একাদশে সর্বোচ্চ ৮ বার জায়গা করে নিয়েছেন কেইন। আর্সেনাল গোলরক্ষক ডেভিড রায়া ৭ বার এবং ডেকলান রাইস ও মাইকেল ওলিসে ৬ বার করে জায়গা পান। তবে গোলরক্ষক রায়া চূড়ান্ত ব্যালনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পাননি।
অপ্টার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইউরোপীয় ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে গত মৌসুমে গোল এবং অ্যাসিস্টের মোট অবদানে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন কেইন। বায়ার্নের এই ফরোয়ার্ড গত মৌসুমে সর্বোচ্চ ৬৪টি গোলে (গোল ও অ্যাসিস্ট) সরাসরি ভূমিকা রেখেছেন। ৬০টি গোলে অবদান রেখে দ্বিতীয় স্থানে আছেন এমবাপ্পে। পরবর্তীতে রয়েছেন মাইকেল ওলিসে (৫২), হালান্ড (৫০), লুইস দিয়াজ (৪১) ও লামিনে ইয়ামাল (৩৮)। ‘এডজাস্টেড গোল ও এক্সপেক্টেড অ্যাসিস্ট’-এর সূচকেও কেইন (৫১.১৬) ও এমবাপ্পে (৫০.৮৬) সবার ওপরে।
বিশ্বকাপে একক আধিপত্য মেসির
ম্যাচসেরার হিসাব করলে ২০২৬ বিশ্বকাপে একক দাপট দেখিয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। রানার্সআপ হলেও আসরে সর্বোচ্চ ৫ বার ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ হয়েছেন তিনি। ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম ৪ বার এবং এমবাপ্পে, হালান্ড ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ৩ বার করে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। কেইন ও ইয়ামাল উভয়ই ২ বার করে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন।
যেভাবে নির্ধারিত হবে বিজয়ী
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ১০০টি দেশের ১০০ জন সাংবাদিককে নিয়ে গঠিত জুরি বোর্ড এই পুরস্কারের বিজয়ী নির্বাচন করবেন। প্রতি সদস্য তাদের পছন্দের ১০ জন খেলোয়াড়কে ক্রমানুসারে ১৫, ১২, ১০, ৮, ৭, ৫, ৪, ৩, ২ ও ১ পয়েন্ট দেবেন। ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানত ৩টি মানদণ্ড বিবেচনা করা হবে—ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও ম্যাচ নির্ধারণে ভূমিকা, দলগত সাফল্য এবং মাঠের জেনুইন খেলোয়াড়সুলভ আচরণ ও ফেয়ার প্লে।
সব হিসাব-নিকাশের খাতা বন্ধ হবে আগামী সোমবার রাত ১টায় (বাংলাদেশ সময়)। লন্ডনের আড়ম্বরপূর্ণ জাঁকজমক অনুষ্ঠানে ফুটবল বিশ্বের নতুন রাজার হাতে উঠবে কাঙ্ক্ষিত এই ট্রফি।



























