ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মারা গেছেন ‘সিআইডি’ ও ‘আহট’-র স্রষ্টা



ফটোকার্ড ডাউনলোড

ভারতীয় টেলিভিশনের কিংবদন্তি প্রযোজক ও পরিচালক ব্রিজেন্দ্র পাল সিং মারা গেছেন। তিনি সবার কাছে ‘বি. পি. সিং’ নামে পরিচিত ছিলেন। ভারতের জনপ্রিয় ক্রাইম থ্রিলার সিরিজ ‘সিআইডি’ এবং হরর শো ‘আহট’-এর এই স্রষ্টা তিনি।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৭৭ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার এই আকস্মিক মৃত্যুর খবরে বিনোদন জগতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

প্রবীণ এই নির্মাতার প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের চলচ্চিত্র নির্মাতা অশোক পণ্ডিত। ইনস্টাগ্রামে এক আবেগঘন বার্তায় তিনি লেখেন, ‘আজ ভোরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এক দক্ষ প্রযোজক-পরিচালক বি. পি. সিংজির প্রয়াণের খবরটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’

‘সিআইডি’ ও ‘আহট’-এর মতো কালজয়ী শো দিয়ে গোটা দেশকে কীভাবে মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছিলেন, তা স্মরণ করে অশোক পণ্ডিত আরও লেখেন, ‘তিনি ছিলেন একজন প্রতিভাবান চলচ্চিত্র নির্মাতা, দারুণ এক মানুষ এবং আমার ঘনিষ্ট বন্ধু। ভারতীয় টিভিতে তার কাজ প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে গেছে এবং ভবিষ্যতেও করে যাবে।’

ইন্ডিয়ান ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি হিসেবে বি. পি. সিংয়ের সঙ্গে কাটানো দিনগুলোর কথাও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি।

নির্মাতা হিসেবে পর্দার পেছনে জাদুকরি মুন্সিয়ানা দেখানোর পাশাপাশি সবার প্রিয় ‘সিআইডি’ সিরিজে ক্যামেরার সামনেও দর্শকদের চমকে দিয়েছিলেন বি. পি. সিং নিজেও। এই জনপ্রিয় ধারাবাহিকে ডিসিপি (ডিপুটি কমিশনার অব পুলিশ) শামশের সিং চিত্রোল চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, ভারতের দীর্ঘতম ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সিরিজগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘সিআইডি’। দীর্ঘ সময় ধরে নিখুঁত চিত্রনাট্য ও রোমাঞ্চকর উপায়ে অপরাধের রহস্যভেদ করে এই শো। আর তার সঙ্গে ‘আহট’-এর গা শিউরে ওঠা হরর ঘরানা—দুটোই ছোটপর্দায় বিপ্লব এনেছিল। বি. পি. সিংয়ের হাত ধরেই ভারতীয় ক্রাইম ড্রামা এক মজবুত ভিত্তি পেয়েছিল।

পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২৮ অক্টোবর তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মারা গেছেন ‘সিআইডি’ ও ‘আহট’-র স্রষ্টা

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


ফটোকার্ড ডাউনলোড

ভারতীয় টেলিভিশনের কিংবদন্তি প্রযোজক ও পরিচালক ব্রিজেন্দ্র পাল সিং মারা গেছেন। তিনি সবার কাছে ‘বি. পি. সিং’ নামে পরিচিত ছিলেন। ভারতের জনপ্রিয় ক্রাইম থ্রিলার সিরিজ ‘সিআইডি’ এবং হরর শো ‘আহট’-এর এই স্রষ্টা তিনি।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৭৭ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার এই আকস্মিক মৃত্যুর খবরে বিনোদন জগতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

প্রবীণ এই নির্মাতার প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের চলচ্চিত্র নির্মাতা অশোক পণ্ডিত। ইনস্টাগ্রামে এক আবেগঘন বার্তায় তিনি লেখেন, ‘আজ ভোরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এক দক্ষ প্রযোজক-পরিচালক বি. পি. সিংজির প্রয়াণের খবরটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’

‘সিআইডি’ ও ‘আহট’-এর মতো কালজয়ী শো দিয়ে গোটা দেশকে কীভাবে মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছিলেন, তা স্মরণ করে অশোক পণ্ডিত আরও লেখেন, ‘তিনি ছিলেন একজন প্রতিভাবান চলচ্চিত্র নির্মাতা, দারুণ এক মানুষ এবং আমার ঘনিষ্ট বন্ধু। ভারতীয় টিভিতে তার কাজ প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে গেছে এবং ভবিষ্যতেও করে যাবে।’

ইন্ডিয়ান ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি হিসেবে বি. পি. সিংয়ের সঙ্গে কাটানো দিনগুলোর কথাও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি।

নির্মাতা হিসেবে পর্দার পেছনে জাদুকরি মুন্সিয়ানা দেখানোর পাশাপাশি সবার প্রিয় ‘সিআইডি’ সিরিজে ক্যামেরার সামনেও দর্শকদের চমকে দিয়েছিলেন বি. পি. সিং নিজেও। এই জনপ্রিয় ধারাবাহিকে ডিসিপি (ডিপুটি কমিশনার অব পুলিশ) শামশের সিং চিত্রোল চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, ভারতের দীর্ঘতম ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সিরিজগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘সিআইডি’। দীর্ঘ সময় ধরে নিখুঁত চিত্রনাট্য ও রোমাঞ্চকর উপায়ে অপরাধের রহস্যভেদ করে এই শো। আর তার সঙ্গে ‘আহট’-এর গা শিউরে ওঠা হরর ঘরানা—দুটোই ছোটপর্দায় বিপ্লব এনেছিল। বি. পি. সিংয়ের হাত ধরেই ভারতীয় ক্রাইম ড্রামা এক মজবুত ভিত্তি পেয়েছিল।

পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২৮ অক্টোবর তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।