ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর তিয়ানজিন নিবাসীদের ক্ষতিপূরণ দাবি

স্টাফ রিপোর্টার,
495
চীনের তিয়ানজিনে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্থরা সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছে। স্থানীয় নিবাসীরা ব্যানার প্ল্যাকার্ড হাতে একটি হোটেলের সামনে প্রতিবাদ পালন করে। ওই হোটেলে কর্তকর্তারা সংবাদ সম্মেলন করছিল। বুধবারের ভয়াবহ ওই বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা দাড়িয়েছে ১১৪ তে। ৭০ জন এখনও নিখোঁজ। এতে ঘরবাড়ির ব্যপক ক্ষতিসাধান বা ধংস হয়ে গেছে কমপক্ষে ১০০ মানুষের। গৃহহীন হয়ে পড়া ব্যক্তিরা প্রতিবাদ কর্মসূচীতে অংশ নেয়। একটি ব্যানারে লেখা ছিল, আমরা ভুক্তোভোগীদের দাবি: সরকার আমাদের বাড়ি কিনে দিক। এদিকে, বিস্ফোরণের শিকার রাসায়ানিক গুদামে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ সোডিয়াম সায়ানাইড ছিল বলে রোববার নিশ্চিত হওয় যায়। তিয়ানজিন এলাকার কর্মকর্তাদের এখন নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। জানতে চাওয়া হচ্ছে কেন ওই স্থানে রাসায়নিক দ্রব্যের মজুদাগার করা হয়েছিল। মজুদাগারের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিক্ষোভকারীরা প্রশ্ন রেখেছেন, আমাদের সন্তানেরা জানতে চাইছে: কিভাবে সুসাস্থ্য নিয়ে বেড়ে উঠবো আমরা? চীনের শীর্ষ সরকারী কৌশলীর কার্যালয় রোববার বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তে একটি দল গঠন করছে বলে জানিয়েছে। উল্লেখ্য, তিনজিয়ান বিস্ফোরণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনের সবথেকে ভয়াবহ শিল্প দূর্ঘটনা।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাজেট অন্তর্ভুক্তিমূলক, জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে

ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর তিয়ানজিন নিবাসীদের ক্ষতিপূরণ দাবি

আপডেট সময় : ০৮:৫৭:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার,
495
চীনের তিয়ানজিনে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্থরা সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছে। স্থানীয় নিবাসীরা ব্যানার প্ল্যাকার্ড হাতে একটি হোটেলের সামনে প্রতিবাদ পালন করে। ওই হোটেলে কর্তকর্তারা সংবাদ সম্মেলন করছিল। বুধবারের ভয়াবহ ওই বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা দাড়িয়েছে ১১৪ তে। ৭০ জন এখনও নিখোঁজ। এতে ঘরবাড়ির ব্যপক ক্ষতিসাধান বা ধংস হয়ে গেছে কমপক্ষে ১০০ মানুষের। গৃহহীন হয়ে পড়া ব্যক্তিরা প্রতিবাদ কর্মসূচীতে অংশ নেয়। একটি ব্যানারে লেখা ছিল, আমরা ভুক্তোভোগীদের দাবি: সরকার আমাদের বাড়ি কিনে দিক। এদিকে, বিস্ফোরণের শিকার রাসায়ানিক গুদামে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ সোডিয়াম সায়ানাইড ছিল বলে রোববার নিশ্চিত হওয় যায়। তিয়ানজিন এলাকার কর্মকর্তাদের এখন নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। জানতে চাওয়া হচ্ছে কেন ওই স্থানে রাসায়নিক দ্রব্যের মজুদাগার করা হয়েছিল। মজুদাগারের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিক্ষোভকারীরা প্রশ্ন রেখেছেন, আমাদের সন্তানেরা জানতে চাইছে: কিভাবে সুসাস্থ্য নিয়ে বেড়ে উঠবো আমরা? চীনের শীর্ষ সরকারী কৌশলীর কার্যালয় রোববার বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তে একটি দল গঠন করছে বলে জানিয়েছে। উল্লেখ্য, তিনজিয়ান বিস্ফোরণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনের সবথেকে ভয়াবহ শিল্প দূর্ঘটনা।