ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩০০ টাকার ভাড়া ৬০০, তবুও মিলছে না সিট

৩০০ টাকার ভাড়া ৬০০, তবুও মিলছে না সিট

সকাল থেকেই বাসের জন্য অপেক্ষা করছি। চন্দ্রাগামী বাসে স্বাভাবিক সময়ে ভাড়া ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা লাগে, এখন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। তবু ঠিকমতো বাসের সিট পাওয়া যাচ্ছে না। ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে গিয়ে এমন অভিযোগ করেন যাত্রী সুরাইয়া জাহান।

সোমবার (১ জুন) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কড্ডার মোড় এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার জন্য যাত্রীরা বাসের অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে, যাত্রীদের তুলনায় পরিবহনের সংকট এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও করছেন অনেকে।

একই এলাকায় কর্মস্থলে ফেরার অপেক্ষায় থাকা যাত্রী আবুল কালাম বলেন, ময়মনসিংহ যেতে দাঁড়িয়ে গেলে ৫০০ টাকা ভাড়া চাওয়া হচ্ছে, আসনে বসে যেতে চাইলে আরও বেশি দিতে হচ্ছে।

যাত্রীরা জানান, ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে গিয়ে অনেক রুটেই স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েও নির্ধারিত সিট পাওয়া যাচ্ছে না।

এর আগে গত রোববার (৩১ মে) অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকা পোস্টে ‘সিরাজগঞ্জে সিএনজি ভাড়ার নৈরাজ্য, অভিযোগ নেই বিআরটিএর কাছে’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১ জুন) অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে মাঠে নামে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও র‍্যাব। সহকারী পরিচালক মো. সোহেল শেখের নেতৃত্বে পরিচালিত যৌথ অভিযানে প্রতিশ্রুত সেবা প্রদান না করা এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৫ জন সিএনজিচালককে ৩ হাজার টাকা এবং এসআই পরিবহন ও যমুনা লাইন পরিবহনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এসময় যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা অতিরিক্ত ভাড়া তাৎক্ষণিকভাবে ফেরত দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়। অভিযানে জেলা ক্যাবের সদস্য এবং র‍্যাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সিরাজগঞ্জ জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. সোহেল শেখ ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অতিরিক্ত বাস ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আজকে জরিমানা করা হয়েছে। অন্যদিকে সিরাজগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা সিএনজিগুলোতেও অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে, সেখানেও জরিমানা করা হয়েছে।

৩০০ টাকার ভাড়া ৬০০, তবুও মিলছে না সিট

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

সকাল থেকেই বাসের জন্য অপেক্ষা করছি। চন্দ্রাগামী বাসে স্বাভাবিক সময়ে ভাড়া ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা লাগে, এখন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। তবু ঠিকমতো বাসের সিট পাওয়া যাচ্ছে না। ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে গিয়ে এমন অভিযোগ করেন যাত্রী সুরাইয়া জাহান।

সোমবার (১ জুন) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কড্ডার মোড় এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার জন্য যাত্রীরা বাসের অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে, যাত্রীদের তুলনায় পরিবহনের সংকট এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও করছেন অনেকে।

একই এলাকায় কর্মস্থলে ফেরার অপেক্ষায় থাকা যাত্রী আবুল কালাম বলেন, ময়মনসিংহ যেতে দাঁড়িয়ে গেলে ৫০০ টাকা ভাড়া চাওয়া হচ্ছে, আসনে বসে যেতে চাইলে আরও বেশি দিতে হচ্ছে।

যাত্রীরা জানান, ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে গিয়ে অনেক রুটেই স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েও নির্ধারিত সিট পাওয়া যাচ্ছে না।

এর আগে গত রোববার (৩১ মে) অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকা পোস্টে ‘সিরাজগঞ্জে সিএনজি ভাড়ার নৈরাজ্য, অভিযোগ নেই বিআরটিএর কাছে’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১ জুন) অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে মাঠে নামে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও র‍্যাব। সহকারী পরিচালক মো. সোহেল শেখের নেতৃত্বে পরিচালিত যৌথ অভিযানে প্রতিশ্রুত সেবা প্রদান না করা এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৫ জন সিএনজিচালককে ৩ হাজার টাকা এবং এসআই পরিবহন ও যমুনা লাইন পরিবহনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এসময় যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা অতিরিক্ত ভাড়া তাৎক্ষণিকভাবে ফেরত দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়। অভিযানে জেলা ক্যাবের সদস্য এবং র‍্যাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সিরাজগঞ্জ জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. সোহেল শেখ ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অতিরিক্ত বাস ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আজকে জরিমানা করা হয়েছে। অন্যদিকে সিরাজগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা সিএনজিগুলোতেও অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে, সেখানেও জরিমানা করা হয়েছে।